কিভাবে অনলাইনে নিজের পণ্য বিক্রি করব – কোন্ মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেটে প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন

 আমরা প্রায় সকলেই জানি বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি হয়। আমাদের ব‍্যবহার করার জন্য নিত‍্য প্রয়োজনীয় জিনিস অনলাইনে পেয়ে যায়। এই পণ্য গুলো একটা ই-কমার্স সাইট থেকেই পাই। আসলে যে সাইট থেকে আমরা পণ্য কিনে থাকি তাদের নিজস্ব কোন প্রোডাক্টই নেই। তাহলে এরা product কোথা থেকে পাই ? এটা জানতে ইচ্ছা করছে তাই না ! যে সকল কোম্পানি কোন Product বা পণ্য উৎপাদন করে সেই কোম্পানি গুলো যেমন সরাসরি তাদের পণ্য বিক্রি করে, তেমনই এইসব E-COMMERCE সাইট গুলোতেও তাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করে থাকে। আসলে ই-কমার্স কোম্পানি গুলোর কাজ বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্টের সাথে customer দের পরিচয় করিয়ে দেওয়া। ভারতের জনপ্রিয় E-commerce সাইট গুলো হল Amazon, Flipkart, Indiamart, Mesho ইত্যাদি। এছাড়াও আরও অনেক ই-কমার্স সাইট আছে।

অনলাইনে কিভাবে পণ্য বিক্রি করা যায়
অনলাইনে কিভাবে পণ্য বিক্রি করবেন

এই ই-কমার্স সাইট গুলো ছাড়াও ইন্টারনেটে অনলাইন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াকে ব‍্যবহার করে পণ্য বিক্রি করা যায়। যদি ফেসবুক, টুইটার অথবা ইনস্টাগ্রামে আপনার অনেক followers থাকে তাহলে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করতে পারেন। প্রোডাক্ট ভাল হলে ধিরে ধিরে আপনার ব‍্যবসা বাড়তে থাকবে। এই সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে ব‍্যবসা করতে  চাইলে অনেক followers থাকতে হবে। এই সোশ্যাল মিডিয়াকে ব‍্যবহার করেই অনেকেই নিজের পণ্য বিক্রি করে অনেক অর্থ উপার্জন করছে।

আজকের বিষয় এটা নয় যে কোথা থেকে পণ্য কিনবো, আজকের বিষয় কিসের মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করব। ব‍্যবসা যেমন অফলাইনে Physically করা যায় তেমন অনলাইনেও বিভিন্ন মাধ্যম আছে ব‍্যবসা করার জন্য বা নিজের কোম্পানির প্রোডাক্ট Sell করার জন্য। নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন সোস‍্যাল মিডিয়াকে ব‍্যবহার করতে পারেন। এর জন্য সেই সব Social media তে নিজের Popularity থাকতে হবে। তা না হলে আপনার প্রোডাক্ট কেউ কিনবেনা। 

Social media তে কিভাবে পণ্য বিক্রি করবেন

আমরা জানি ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতে লাখ লাখ মানুষ engage থাকে। এদের কাছে নিজের প্রোডাক্টের প্রচার করে নিজের কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করতে হবে। তবে এর জন্য আগে থেকেই আপনাকে subscriber বা follower বাড়িয়ে নিতে হবে। চলুন কোন্ কোন্ Social media তে কিভাবে নিজের পণ্য বিক্রি করবেন জেনে নেওয়া যাক। 


ফেসবুকে কিভাবে নিজের পণ্য বিক্রি করবেন ?

বিশ্বের সবচেয়ে অন্যতম  জনপ্রিয় Social media হচ্ছে Facebook, এই ফেসবুকে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ তাদের Activity করে থাকে। এই সোশ্যাল মিডিয়াকে কেউ কেউ ব‍্যবহার করছে নিজের ব‍্যবসা বাড়ানোর কাজে আর বেশিরভাগ মানুষ ব‍্যবহার করছে নিজের সময় অপচয় করার কাজে। আবার কেউ কেউ আছেন যারা বিশ্বের খবরাখবর পেতে সোশ্যাল মিডিয়া ব‍্যবহার করেন।

Facebook কতৃপক্ষ কিছু ফিচার্স্ রেখেছে ব‍্যবসায়ীদের জন্য। ফেসবুকে Marketplace নামে একটা অপশন আছে, যেখানে আপনার পণ্যের তথ্য দিতে পারেন। কেউ প্রোডাক্টটি পছন্দ করলে আপনি সেই প্রোডাক্টটি বিক্রি করতে পারবেন। 

ফেসবুকে নিজের কোম্পানির নামে গ্রুপ বা পেজ তৈরি করতে পারেন। কিছু দিন পর গ্রুপ বা পেজের ফলোয়ার বাড়লে আপনার পণ্য বিক্রি হতে থাকবে। যদি আপনি কোন জায়গা ভাড়া নিয়ে দোকান করেন তাহলে প্রথম দিন থেকেই কি আপনার দোকানে ভিড় জমবে। এর উত্তর না। অনলাইনে ব‍্যবসা করাটাও সেইরকম, আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতেই হবে। 

বর্তমানে অনলাইনে যাদেরকে সফল ব‍্যবসায়ী হিসাবে দেখছেন সকলের ক্ষেত্রেই এটা হয়েছে। আপনি ইন্টারনেটে খোঁজ করলে জানতে পারবেন যারা আজ অনলাইনে সাফল্যের সাথে কাজ করছে সকলেই এক দু বছর পর কিছু কিছু করে আয় করা শুরু করেছে। একটা কথা মনে রাখবেন আপনি যদি রেগুলার কাজ করেন তাহলে সাফল্য আসবে আর আর কয়েক মাস কাজ করে আশা ছেড়ে দিলে কিছুই হবেনা। ফেসবুকে অনেকেই প্রথম প্রথম মনোরঞ্জনের জন্য এলেও তাদের ফলোয়ার এতো বেড়ে গিয়েছিল যে তারা পরবর্তী সময়ে এই ফলোয়ারদের লক্ষ্য রেখে নিজের ব‍্যবসা শুরু করেছে। তাই প্রথমে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে হবে। এই জনপ্রিয়তাই একদিন আপনার ব‍্যবসার কাজে লাগবে।

কিভাবে টুইটারে নিজের পণ্য বিক্রি করবেন ?

ফেসবুকের মতো টুইটারও একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেও প্রতিদিন অনেক লোক তাদের মন্তব্য, পোস্ট করে থাকে। ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় নাহলেও টুইটারে বিভিন্ন ক্ষেত্রের জনপ্রিয় ব‍্যক্তিদের পাবেন। টুইটারেও নিজের পণ‍্য বিক্রি যায়। প্রথমেই বলেছি ফেসবুক বলেন আর টুইটার যেকোন সোশ্যাল মিডিয়ার সম্পত্তি লোকবল। যেখানে মানুষের ভিড় নেই সেখানে কোন ব‍্যবসা নেই। তাই নিজেকে ফলোয়ার বাড়ানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ফলোয়ার বাড়লেই ব‍্যবসা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

কিভাবে Instagram-এ পণ্য বিক্রি করা যায় ?

বর্তমানে Instagram সবচেয়ে বড় সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর মধ্যে একটি। এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়তেই চলেছে। এখানে একাউন্ট খুলে যেকেও Reel, Image, video Story শেয়ার করতে পারে। এর মাধ্যমে ফেসবুকের মতোই নিজের প্রোডাক্ট sell করা যায়। এখানে রীল ভিডিও বেশি জনপ্রিয়। আপনার প্রোডাক্টের রীল ভিডিও তৈরি করে প্রচার করার সুযোগ রয়েছে। এখান থেকে সবচেয়ে ভালো সাড়া পেতে পারেন। ধীরে ধীরে আপনার ফলোয়ার বাড়লে এর ফল বুঝতে পারবেন। তবে আপনার পণ্যের image তৈরি করে প্রচার করতে পারেন। ভিডিও এবং Image দুইই তৈরি করতে হবে। প্রতিদিন একটা দুটো ভিডিও এবং পাশাপাশি ছবিও পোস্ট করতে হবে। ভিডিও এর মাধ্যমে প্রচার চালাতে হবে। 

আপনার প্রোডাক্টের বিস্তারিত লিখে Image তৈরি করতে হবে। এতে যারা আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখবে তাদের পছন্দ হলে কমেন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে। তবে যাই করেনা কেন আপনাকে Instagram থেকে পণ্য বিক্রি করতে চাইলে আপনার প্রথমে লক্ষ্য থাকতে হবে ফলোয়ার বাড়ানোর দিকে। তাই প্রতিদিন ভিডিও এবং ইমেজ মিলে তিন চারটে করে পোস্ট দিতে হবে।

এগুলো ছাড়াও আরও অনেক সোশ্যাল মিডিয়া আছে সেগুলোতে কাজ করা যায়। যেমন Whatsapp business, Telegram এই গুলোতে গ্রুপ তৈরি করে ব‍্যবসা করা যায়। 

উপরে উল্লেখিত সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কোম্পানির পণ্য বিক্রি করতে হলে আগে সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে নিজের জায়গা তৈরি করতে হবে। তবেই আপনি ব‍্যবসা বাড়াতে পারবেন। আর সেটা করা এত সহজ নয় যে আজকে একাউন্ট খুললেন আর কয়েক দিনের মধ্যে Famous হয়ে গেলেন। সবকিছুই ধীরে ধীরে হবে এবং কাজ করতে হবে। এইসব উল্লেখিত সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে daily পোস্ট publish করতে হবে। যে সোশ্যাল মিডিয়াতেই কাজ করেননা কেন নিয়মিত কাজ করলে একবছর অপেক্ষা করতেই হবে। 

ইউটিউব সর্টস্ ভিডিও তৈরি করে কিভাবে নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন ?

ইউটিউব বিশ্বের এক নম্বর ভিডিও শেয়ারিং প্ল‍্যাটফর্ম। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ভিডিও share করা হয়। বর্তমানে ইউটিউবে ভিডিও দেখার জন্য প্রতিদিন লাখ লাখ লোক ভিড় জমায়। ইউটিউব অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মতো একটি ফিচার্স্ লঞ্চ করেছে তাহল youtube shorts যা 60 সেকেন্ডের মধ্যে ভিডিও করার অনুমতি দেয়। এই ভিডিও খুবই জনপ্রিয়। এখানে একটা ভিডিওতে অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েক হাজার বা লাখ ভিউয়ার হয়ে যায়। আপনারা যারা নিজের প্রোডাক্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্রি করতে চাইছেন তারা ইউটিউব সর্টসে কাজ করে দেখতে পারেন। 

এখানে কিভাবে নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন ? যেহেতু এটি একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল‍্যাটফর্ম তাই সবচেয়ে ভালো নিজের প্রোডাক্টের সম্পর্কে ভিডিও তৈরি করতে হবে। ভিডিও তৈরি করতে হবে ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে তাই ভিডিও এডিটিং খুব সুন্দর ভাবে করতে হবে। নিজের voice ব‍্যবহার করতে পারেন। প্রোডাক্টের ভালো ছবি দিতে হবে। এর দাম এবং এর সুবিধা উল্লেখ করতে হবে।

কিভাবে ই-কমার্স সাইটে নিজের পণ্য বিক্রি করা যায় ?

আমরা জানলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় কিভাবে পণ্য বিক্রি করা যায় এই সম্পর্কে। এবার জানব E-commerce সাইটে নিজের পণ্য কিভাবে বিক্রি করবেন ? আমরা জেনেছি সোশ্যাল মিডিয়াতে পণ্য বিক্রি করতে চাইলে তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ার পিছনেই অনেক সময় ব‍্যয় করতে হবে। আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে Fanbase তৈরি করতে হবে। আর সেটা একদিনের কাজ নয়। ছয় মাস অথবা তারও বেশি সময় লাগবে। 

কিন্তু ই-কমার্স সাইটে আজকে Seller এর Account খুললেন কাল থেকেই পণ্য বিক্রি হতে পারে। কিন্তু লাভের দিক দিয়ে দেখলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রোডাক্ট বিক্রি করে লাভ অনেক বেশি পাওয়া যায়। ই-কমার্স সাইট 3rd party হওয়ার কারণে এই সাইটগুলো কিছু কমিশন কাটে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে কমিশন দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। 

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন ই-কমার্স সাইটে কিভাবে পণ্য বিক্রি করা যায় ?

Amazon: প্রথমে যে সাইটটির নাম আসে তাহল এমাজন। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় E-commerce সাইট গুলোর মধ্যে একটি। এটি আমেরিকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ই-কমার্স সাইট। এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 5 জুলাই 1994 সালে বেল ভিউ, ওয়াশিংটনে। জেফ বেজোস এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে তিনি এই কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও। এখানে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ কাজ করে। এই কোম্পানিটি অনেক দিন ধরে ব‍্যবসা করছে। তাই এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোন সমস্যা নেই । 

Amazon কোম্পানি আমেরিকার হলেও সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশে ব‍্যবসা পরিচালনা করে। ভারতেও Amazon একটি জনপ্রিয় E-commerce সাইট। এই সাইটে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ বিভিন্ন   প্রোডাক্ট কেনার জন্য entry করে এবং প্রতি দিন অনেক পণ্য বিক্রি হয়। এখানে already হাজার হাজার গ্রাহক তৈরি হয়ে আছে। তাই এখানে পণ্য বিক্রি করা খুব কঠিন নয়।

এমাজন সাইটে কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চাইলে প্রথমে এই সাইটে Seller হিসাবে account তৈরি করতে হবে। এরপর যে পণ্য বিক্রি করতে চান সেই প্রোডাক্টের ছবি এবং এর সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে। এর দাম কত রাখবেন উল্লেখ করতে হবে। এই সাইটে খরিদ্দারের অভাব নেই। আপনার প্রোডাক্ট কোন কাস্টমারের পছন্দ মতো হলেই সেই কাস্টমার সেটা কিনবে। আপনি তখন বুঝতে পারবেন। আপনার কাছে order পৌঁছে যাবে। তারপর  কাস্টমারের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আপনার। কিন্তু প্রোডাক্ট কাস্টমারের পছন্দ না হলে আবার আপনাকে ফেরত নিতে হবে। তাই সেই প্রোডাক্টে loss হয়ে থাকে। তাই কাস্টমারের চাহিদা মাথায় রেখে ব‍্যবসা করতে হবে। 

Flipkart: ফ্লিপকার্ট হল একটি ভারতীয় ই-কমার্স কোম্পানি। এটি প্রতিষ্ঠা করেন শচিন বনশাল এবং বিন্নি বনশাল। 2007 সালে ফ্লিপকার্টের প্রতিষ্ঠা হয়। শচিন বনশাল এবং বিন্নি বনশাল ছিলেন আইআইটি এর ইঞ্জিনিয়ার। তারা Amazon এ কাজ করত সেখান থেকেই তারা আইডিয়া পাই ই-কমার্স কোম্পানি খোলার। প্রথমে বই বিক্রি করা শুরু করে পরে বিভিন্ন পণ্য বাড়াতে থাকে। 

ফ্লিপকার্টের মাধ্যমে যেকেও তার পণ্য বিক্রি করতে পারে। এখানেও Amazon এর মতোই প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। তার আগে ফ্লিপকার্টে seller এর একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

Indiamart: ইন্ডিয়ামার্টও ভারতের একটি ই-কমার্স কোম্পানি। এখানে যেকোনো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে  গ্রোসারি প্রোডাক্ট বিক্রি করা যায়। যেকোন নিত্য প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট এই সাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন। দিনেশ আগরওয়াল এবং ব্রিজেশ আগরওয়াল ইন্ডিয়ামার্ট প্রতিষ্ঠা করেন। 1996 সালে E-commerce সাইটটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর হেড কোয়ার্টার ভারতের নয়ডায় অবস্থিত। 

Meesho: মীশো একটি ভারতের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। যেটি 2015 সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় । যেকেও তার প্রোডাক্ট Meesho এর মাধ্যমে sell করতে পারেন। বিদিত আত্রে, ভৌমিক গোন্ডালিয়া, সঞ্জীব বার্নওয়াল এই রিসেলিং কোম্পানীটি প্রতিষ্ঠা করেন।


অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার সুবিধা

কোন দোকান করে পণ্য বিক্রি করার তুলনায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি করাতে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। 

1. অফলাইনে বা Physically কোন ব‍্যবসা করতে চাইলে নিজের দোকান করতে হবে। এর জন্য নিজস্ব জায়গা থাকতে হবে নতুবা ভাড়া নিতে হবে। এর জন্য প্রতি মাসে ভাড়া গুনতে হবে। অনলাইনে ব‍্যবসা করার জন্য কোন দোকানের প্রয়োজন নেই।

2. কোন দোকান নিয়ে ব‍্যবসা করলে সেই ব‍্যবসা ঠিক ঠাক চালু হতে বা বেশি কাস্টমার পেতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু অনলাইনে ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে প্রথম দিন থেকেই আপনার প্রোডাক্ট sell হতে পারে। 

3. অনলাইনে কোন পণ্য বিক্রি করতে চাইলে বেশি পুজির দরকার নেই। কিন্তু physically কোন দোকান করতে চাইলে দোকান সাজানোর বা দোকান ভর্তি পণ্য রাখার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন।

এছাড়াও আরও অনেক সুবিধা রয়েছে অনলাইন প্রোডাক্ট বিক্রিতে।

পরিশেষে:—

পরিশেষে বলতে চাই যদি আপনি অনলাইনে নিজের কোন পণ্য বিক্রি করার মনস্থির করেছেন তাহলে আমি বলব আপনি সঠিক  সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ বর্তমানে অনলাইনে অনেক মানুষ বিভিন্ন পণ্য কিনছে। দিন দিন এটা বেড়েই চলেছে। যত দিন যাবে তত অনলাইনের বাজার বৃদ্ধি পাবে।

অনলাইনে পণ্য কিভাবে বিক্রি করব ? আর্টিকেলটি কেমন হয়েছে জানাবেন । অনলাইনে পণ্য বিক্রি সম্পর্কে কোন পরামর্শ দেওয়ার থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। তার সাথে সাথে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ

Leave a Comment